প্রতিষ্ঠাতা

প্রতিষ্ঠাতা:
======
বিশিষ্ট সমাজসেবক, জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষানুরাগী জনাব মোঃ ……………………………… সাহেবের সার্বিক প্রচেষ্টায় স্থানীয় শিক্ষানুরাগী জনগণ শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে ………………………….ইং সালে……………………. জেলার……………….. উজেলার ……………………………………………………(স্থাপিত ১৯৩৮খ্রি:) পাশে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন এবং ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে উচ্চ বিদ্যালয়টি স্থাপন করেন। বর্তমানে ঐতিহ্যবাহি এই বিদ্যালয়টিতে ৬ষ্ঠ শ্রেণী হইতে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত চালু রয়েছে এবং ৯ম ও ১০ম শ্রেণিতে বিজ্ঞান, মানবিক, বাণিজ্য, কম্পিউটার শিক্ষা ও কৃষি শিক্ষা বিভাগ চালু রয়েছে।

3-150x150

শৈশবে কুড়ালিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করে গোপালপুরের ঝাওয়াইল হতে ১৯৪৯ সালে কৃতিত্বের সাথে মেট্রিকুলেশন পাশ করার পর ময়মনসিংহ আনন্দ মোহন কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীতে অধ্যয়ন করেন। পরবর্তীতে ঢাকা আহসানউল­াহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (বর্তমানে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয়, (ইটঊঞ) খ.ঈ.ঊ কোর্সে ভর্তি হন। এখান থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করার পর ১৯৫৬ সালে চডউ তে যোগ দেন। পরবর্তীতে তার চাকুরী ঈ ্ ই তে ন্যাস্ত হয় এবং সাব ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৪ সালে আর.সি.সি কনষ্ট্রাকশনের উপর সিঙ্গাপুরে উচ্চতর প্রশিক্ষন গ্রহণ করেন। ১৯৬৮ সালে সাব ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ারের পদ হতে পদত্যাগ করে কনষ্ট্রাকশন ব্যবসায় আত্মনিয়োগ করেন।

মানব কল্যাণে নিবেদিত কর্মবীর আলহাজ মোঃ নূর রহমান ১৯৭২ সালে শিক্ষায় অনুন্নত অর্থনৈতিক দিক দিয়ে পশ্চাৎপদ পাহাড়ী জনপদ মধুপুরে মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রাণিত ও ১৯৭৩ সালে পরিচালনা পরিষদের সভাপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। ১৯৯৫ সালে অগ্রসরমান বিদ্যালয় হিসেবে চালু করেন কলেজ শাখা। মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ মোঃ নূর রহমান সাহেবের নিরলস প্রচেষ্টায় এ প্রতিষ্ঠানের জুনিয়র বৃত্তি, এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি পরিক্ষার ফলাফল টাঙ্গাইল জেলার মধ্যে শীর্ষ স্থানীয়। তারই আর্থিক অনুদানে গড়ে উঠেছে মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪০০ আসন বিশিষ্ট দু’টি ছাত্রাবাস।

আধুনিক শিক্ষার পৃষ্ঠপোষক আলহাজ মোঃ নূর রহমান সাহেবের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলশ্র“তিতে ২০০৩ সালে এইচ.এস.সি পরিক্ষায় ঢাকা বোর্ডের টপটেন কলেজের মধ্যে ৯ম স্থান অধিকার করে এবং ২০০৪ সালে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রদত্ত পুরস্কার পায়। আলহাজ মোঃ নূর রহমান সাহেব দীর্ঘ ৩৬ বছর যাবৎ মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ১৯৭২ সাল হতে এখন পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে তাঁর দানের পরিমাণ প্রায় এক কোটি টাকা।

তাঁর পিতা আলহাজ নঈম উদ্দিন আহমেদ কর্তৃক ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত রানিয়াদ আলিম মাদ্রাসার উন্নয়নে তিনি সব সময় নিজকে নিয়োজিত রাখছেন। দীর্ঘদিন তিনি প্রতিষ্ঠানের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি মধুপুর আদর্শ ইসলামীয়া সিনিয়র মাদ্রাসা, কুড়ালিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা, ফুলবাড়ী মাদ্রাসা, কুড়ালিয়া মক্তব, কুড়ালিয়া এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা।

তিনি মধুপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের দাতা ক্যাটাগরীর আজীবন সদস্য এবং পরিচালনা পরিষদের সদস্য। তিনি আশ্রা সিনিয়র মাদ্রাসা কুড়ালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, ঝাওয়াইল মহারাণী হেমন্তকুমারী উচ্চ বিদ্যালয় ও ঢাকাস্থ প্রভাতী বিদ্যানিকেতনের (উচ্চ বিদ্যালয়) দাতা। কুড়ালিয়া মসজিদসহ এলাকার অনেক মসজিদ মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে তাঁর প্রদত্ত অনুদানের ভিত্তিতে।

তিনি শিক্ষা ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা পালনের জন্য ঢাকাস্থ টাঙ্গাইল জেলা সমিতি কর্তৃক ২০০২ সালে নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী স্বর্ণ
পদক অর্জন করেন।

এক সময়ের সকল ক্ষেত্রে পশ্চাৎপদ মধুপুর উপজেলায় শিক্ষার আলোকবর্তিকা হিসেবে যে মহৎপ্রাণ, অরাজনৈতিক, নির্লোভ, ব্যক্তিত্ব নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি হলেন ‘সাদা মনের মানুষ’ আলহাজ মোঃ নূর রহমান।


Genius It Institute

প্রধান শিক্ষককে বার্তা প্রদান

আমাদের ক্যাম্পাস ভিডিও

প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধাসমূহ

  • হোস্টেল সুবিধা
  • অনলাইন এস.এম.এস সিস্টেম
  • অনলাইন স্টুডেন্ট প্রোফাইল
  • অনলাইন পিডিএফ বুক লাইব্রেরী
  • অনলাইন ভর্তি ফর্ম
  • মেধাবীদের মাসিক বৃত্তি
  • অনলাইন স্টুডেন্ট রেজাল্ট