শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস ও পরিচিতি

সংক্ষিপ্ত বর্ননাঃ বিদ্যালয়টি হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলাধীন ২নং পুটিজুরী ইউনিয়নের গ্রামীন জনপদে ঢাকা-সিলেট মহা সড়কের পাশে মনোরম পরিবেশে অবস্থিত। চারটি পাকা ভবন এবং দুটি টিন শেড ঘর নিয়ে ৫০ শতক জমিতে এর মূল ক্যাম্পাস এবং পাশেই রয়েছে ০১ একর ৬০ শতক পরিমান খেলার মাঠ। ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক/শিক্ষাকাদের জন্য রয়েছে আলাদা শৌচাগার এবং বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানের পাশাপাশি খেলা-ধূলা, সাংস্কৃতিক চর্চা, বন-ভোজন, বিভিন্ন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক দিবস পালন করা হয়। তাছাড়া বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে একটি সমৃদ্ধ পাঠাগার ও ইন্টারনেট সংযুক্ত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবঃ। বিদ্যালয়টিতে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসা শিক্ষা চালু আছে। বিদ্যালয়টি ২০০৪ সালে বাহুবল উপজেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় নির্বাচিত হয় এবং জে.এস.সি ও এস.এস.সি পরীক্ষায় সন্তোষজনক ফলাফলের ধারা অব্যাহত রেখে সুনামের সাথে পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেনী পর্যন্ত ১৩ শতাধিক ছাত্র/ছাত্রী অধ্যয়নরত আছে এবং ১৭ জন শিক্ষক/শিক্ষাকা (এম.পি.ও ভুক্ত) ও ১৩জন খন্ডকালীন, একজন অফিস সহকারী, ০১ জন সহঃ গ্রন্থাগারিক ও ২ জন ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী কর্মরত আছেন।

GLR-0000000000001064

প্রতিষ্ঠাকালঃ প্রথম প্রতিষ্ঠা ০১/০১/১৯৩১ খ্রিঃ এবং পূনঃ প্রতিষ্ঠা ০১/০১/১৯৬৯ খ্রিঃ।
ইতিহাসঃ ১৯৩১ সালে পুটিজুরী এলাকার ছয়জন জমিদার অত্র এলাকার একটি স্কুল স্থাপনের কথা চিন্তা করেন এবং স্কুলটি চালু করেন। লোক মুখে জানা যায় তখন যারা শিক্ষকতা করতেন তারা ছিলেন জমিদার পরিবারের এবং বিদ্যালয় থেকে কোন বেতন নিতেন না। এরপর বিদ্যালয়টি গৌহাটী ইউনিভার্সিটির অধীনে স্বীকৃতি লাভ করে সুনামের সাথে অত্র এলাকার আলোকবর্তিকা হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। কিন্তু ১৯৪৭ সালে ভারত পাকিস্থান বিভাগের সময় এলাকার জমিদারগন ভারতে গমন করেন এবং পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে বিদ্যালয়টি ভাঙ্গা-গড়ার মধ্যে চলতে চলতে একসময় কালের স্বাক্ষী হয়ে দুটি টীন-সেড ঘর মাত্র অবশিষ্ট থাকে। এরপর স্থানীয় জনগনের উদ্যোগে বার বার স্কুওটি পূনঃ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়। অবশেষে অত্র এলাকার জনগন তৎকালীন আওয়ামীলীগ নেতা বাবু দীনের চন্দ্র দাসকে বিদ্যালয়টি পূনঃপ্রতিষ্ঠার দ্বায়িত্ব দিলে তিনি ১৯৬৯ সালে আবার বিদ্যালয়টি চালু করেন। এরপর ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধোত্তর কালে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষটি আগুন লেগে পুড়ে যাওয়ায় অনেক মূল্যবান কাগজপত্র নষ্ট হয়ে যায়।

shohid.jpgবব

এরপর ১৯৭২ সালে তৎকালীন আওয়ামীলীগ নেতা বর্তমান মাননীয় সমাজকল্যান মন্ত্রী জনাব এনামুল হক মোস্তফা শহীদ এর পরামর্শ ও সহযোগীতায় বাবু দীনের চন্দ্র দাস অক্লান্ত পরিশ্রম করে বিদ্যালয়টির হাল ধরেন। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ০১/০১/১৯৭২ থেকে শরৎ চন্দ্র জুনিয়র হাই স্কুল হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে। বিদ্যালয়টি কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড থেকে ০১/০১/১৯৮৪ ইং তারিখ থেকে বিজ্ঞান শাখা এবং ০১/০১/১৯৯৭ ইং তারিখে থেকে ব্যবসা শিক্ষা শাখা চালুর অনুমতি পায়। অতঃপর বর্তমান সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ০১/০১/২০০৪ খ্রিঃ থেকে ৯ম – ১০ম শ্রেনীতে কম্পিউটার বিষয় খোলার এবং ০১/০১/২০০৯ খ্রিঃ তারিখ থেকে কৃষি বিষয় খোলার অনুমতি লাভ করে। সর্বশেষ ০৮/০২/২০১১ খ্রিঃ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে একটি অতিরিক্ত শাখা খোলার অনুমতি লাভ করে। বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক কানু প্রিয় চক্রবর্তী এই বিদ্যালয়ে থেকেই ১৯৭৮ সালে এস.এস.সি পাশ করেন। স্বর্ন পদক প্রাপ্ত চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ আবদাল মিয়া এবং সিলেটের সুনামধন্য চিকিৎসক ডাঃ আব্দুল খালেক এই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। এছাড়াও এ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন অনেক ছাত্র/ছাত্রী বর্তমানে দেশ-বিদেশে সরকারী/বেসরকারী বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত আছেন।


Genius It Institute

প্রধান শিক্ষককে বার্তা প্রদান

আমাদের ক্যাম্পাস ভিডিও

প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধাসমূহ

  • হোস্টেল সুবিধা
  • অনলাইন এস.এম.এস সিস্টেম
  • অনলাইন স্টুডেন্ট প্রোফাইল
  • অনলাইন পিডিএফ বুক লাইব্রেরী
  • অনলাইন ভর্তি ফর্ম
  • মেধাবীদের মাসিক বৃত্তি
  • অনলাইন স্টুডেন্ট রেজাল্ট